পরীক্ষা মূলক আপডেট
সর্বশেষ আপডেট:
যেসব কারণে রিজিকের বরকত কমে যায় উত্তর আমেরিকান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সময়সূচি ওসমানীর ল্যাবে করোনা টেস্ট বন্ধ, বিদেশগামী যাত্রীরা বিপাকে যুক্তরাষ্ট্রে সুগম হলো ৪০ সহস্রাধিক বাংলাদেশির নাগরিকত্ব লাভের পথ আমি বিয়ে করব না: অভিনেত্রী সুনেরাহ গোপীবাগে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ফের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় ঢাকা, বায়ুমান খুবই অস্বাস্থ্যকর ভাস্কর্য বিতর্কের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজেই দেখছেন : ওবায়দুল কাদের ১০ জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্ট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে রিট

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়: সোমবার, নভেম্বর ১৬, ২০২০
  • 30 পাঠক
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে রিট
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে রিট

বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নারী ও পোষ্য কোটা বাতিল করে এবং আগের বিজ্ঞপ্তি বাদ দিয়ে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

সোমবার সহকারী শিক্ষক পদের প্রার্থী মো. তারেক রহমানের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৮ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে যে, শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি) এর আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৫ হাজারের অধিক সহকারী শিক্ষক নেয়া হবে। কিন্তু ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কোটা প্রথা বাতিল করে।

পরবর্তীতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতর গত ২০১৪ সালের ৪ এপ্রিল একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা এবং পুরুষ প্রার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তারা তাদের নিজেদের স্বার্থে উক্ত প্রজ্ঞাপনের অষ্টম অনুচ্ছেদে বিষয়টি উল্লেখ করে। যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ জুলাই কোটা বাতিল সংক্রান্ত পরিপত্র ও সংবিধানের ২৭, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি।

কোটা বাতিলের বিষয়ে সঠিক প্রতিকার না পেলে দরখাস্তকারীসহ লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার যুবক চাকরি থেকে বঞ্চিত হবে বলে বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিটকারীর আইনজীবী জানান, যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন তাদের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা রাখা হয়েছে, অথচ অন্য কোনও অনগ্রসর গোষ্ঠী কিংবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়ে কিছুই উল্লেখ নাই। যা তাদের প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে।

এর আগে ২০১০ সালের ২৫ অক্টোবর জারিকৃত বৈষম্যমূলক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে পুনরায় সংশোধিত আকারে বিজ্ঞপ্তি প্রচারের জন্য একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সে নোটিশের কোনও জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে এই রিট দায়ের করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *