পরীক্ষা মূলক আপডেট

মিশরে গিয়ে হত্যার শিকার ইতালির গবেষক, ৫ বছর পর রহস্য উদঘাটন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
  • 56 পাঠক
মিশরে গিয়ে হত্যার শিকার ইতালির গবেষক, ৫ বছর পর রহস্য উদঘাটন
মিশরে গিয়ে হত্যার শিকার ইতালির গবেষক, ৫ বছর পর রহস্য উদঘাটন

পাঁচ বছর আগে মিশরে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন ইতালির এক গবেষক। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার কোনও কূলকিনারা পাচ্ছিল না দেশটির সরকার। তবে দীর্ঘ তদন্তের পর এর রহস্য উদঘাটন হয়েছে গত সপ্তাহে। জানা গেছে, মিশরীয় নিরাপত্তা বাহিনী তাকে হত্যা করেছে। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জিলিও রিজেনি নামে ওই ইতালীয় গবেষক ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে গবেষণার কাজে মিশরে যান। তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক ছিলেন।

মিশরে কয়েক দশক ধরে ক্ষমতা থাকা হোসনি মোবারককে ক্ষমতাচ্যুত করতে ভূমিকা রাখা বিক্ষোভকারী দলগুলো নিয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
কিন্তু কয়েক মাস পর রাজধানী কায়রোর এক মহাসড়কের পাশে লাশ পাওয়া যায় ২৮ বছর বয়সী ওই তরুণের। তার শরীরে ছিল সিগারেট দিয়ে পোড়া দাগ, দাঁত ভাঙা এবং হাড়ে আঘাত।

এ ঘটনার পাঁচ বছর পর গত সপ্তাহে মিশরের চার নিরাপত্তা কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে ইতালির প্রসিকিউটর। দীর্ঘ তদন্তের পর বেরিয়ে আসে, অভিযুক্তরা রিজেনিকে অপহরণ করে এবং গোপন ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে গিয়ে নিপীড়ন চালিয়ে তাকে হত্যা করে।

মিশরে নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন ডিটেনশন সেন্টার ব্যবহারের অভিযোগের এ প্রথম কোনও পূর্ণ তদন্ত চালানো হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এর আগে হাজার হাজার মিশরীয় ভুক্তভোগী হয়েছিল ডিটেনশন সেন্টারে।

পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর অভিযোগ আনা মিশরে এখন বিরল ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবদেল ফাতাহ আল সিসি সরকার অভিযুক্তদের সহজেই দায়মুক্তির ঘটনা ঘটছে বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিমত।

বেসরকারি সংস্থা ইজিপশিয়ান কমিশন ফর রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডমসের পরিচালক মোহাম্মদ লুতফি বলেন, ‘রিজেনিকে হত্যা করতে তারা নতুন কিছু উদ্ভাবন করেনি। অনেক মিশরীয়র বিরুদ্ধে যে অস্ত্র ও অনুশীলন তারা ব্যবহার করে, তার ক্ষেত্রেও সেটি ঘটেছে। এখন বেরিয়ে আসবে সেই যন্ত্র ও অনুশীলন মানুষকে গুম ও নির্যাতনের জন্য কীভাবে কাজ করে।’

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *