সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২১ লাভ করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সব ব্যাংকের মধ্যে তথ্য ও প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে এই পুরস্কার পেল ব্যাংকটি। শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন শ্রীলঙ্কার সাবেক রাষ্ট্রপতি মাইথ্রিপালা সিরিসেনা।

ব্যবসার ক্ষেত্রে নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও দক্ষতার বিচারে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করতে সাউথ এশিয়ান পার্টনারশিপ সামিট (এসএপিএস) আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও ভুটান এই ৮টি দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিবেচনা করা হয়।

পুরস্কার গ্রহণের পর চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমাল বলেন, আর্থিক প্রযুক্তি বা ফিনটেক ছাড়া এখনকার ব্যাংক চলতে পারে না। ব্যাংকিং সেবা প্রসারে ফিনটেকের ব্যবহার বাড়িয়েছি। করপোরেট গভর্ন্যান্স, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আর্থিক সূচকে আমাদের যে অগ্রগতি হয়েছে তা মূলত ফিনটেকের কারণে হয়েছে। অ্যাওয়ার্ডের জন্য আয়োজক, আমাদের ব্যাংকের সম্পানিত গ্রাহক, ম্যানেজমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিজয়ের ৫০ বছরে যেসব মেহনতি মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়েছে তাদেরকে এই অ্যাওয়ার্ড উৎসর্গ করছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন নীতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করছে এনআরবিসি ব্যাংক। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘরে ঘরে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামকে শহরায়ন করছেন। এই কাজে সম্পৃক্ত হতে এনআরবিসি ব্যাংক আইটির সবধরনের ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। এটিতে সফল হওয়ায় আমাদের এই স্বীকৃতি। স্বীকৃতি পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাচ্ছি অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ২ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে এনআরবিসি ব্যাংক। যাত্রার পর থেকে সেবাবঞ্চিত মানুষদেরকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে প্রযুক্তিনির্ভর নানা সেবা দিচ্ছে ব্যাংকটি। স্বল্প খরচে সেবা দিতে উপশাখা ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, প্লানেট অ্যাপসহ নানাভাবে সেবা দেওয়া হচ্ছে। সারাদেশে ৮৮টি শাখার পাশাপাশি ৫৫০টি উপশাখার মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি বিআরটিএ ও ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিস, রাজস্ব সংগ্রহসহ সরকারি বিভিন্ন সেবার ফিস কালেকশন করছে।

Spread the love