Dhaka 11:53 am, Monday, 22 April 2024

টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একযোগে কাজ করে যেতে হবে: স্পিকার

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:09:16 pm, Wednesday, 21 September 2022
  • 1732 Time View

এনবি নিউজ : জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত। বৈশ্বিক শান্তির প্রতি তাঁর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন। তাই বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা বৈশ্বিক শান্তির প্রতি বঙ্গবন্ধুর অবস্থান থেকেই অনুপ্রেরণা পায়। সমাজের সবাইকে টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একযোগে কাজ করে যেতে হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা সেনানিবাসের সেনা মালঞ্চে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে ‘বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ‘বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা’ বিষয়ে এবং প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত শহীদুল হক ‘বিশ্ব শান্তি সংরক্ষণে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উদ্যোগের ৫০ বছর’ সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সেমিনারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আনোয়ার হোসেন পিএসসি মডারেটর হিসেবে এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আতিকুল ইসলাম সহ-আয়োজক হিসেবে বক্তব্য দেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘জনগণকে ক্ষুধা, দারিদ্র, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করে শান্তি, সাম্য, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জনগণের জন্য তাঁর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শান্তির ধারণা। ১৯৭২ সালের সংবিধানের চারটি মূল নীতিতে এ ধারণাগুলোই প্রতিফলিত হয়েছে এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমেই সংবিধানের সফল প্রতিপালন সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব শান্তি রক্ষায় যেমন কূটনীতিকদের ভূমিকা রয়েছে, তেমনই সংসদ সদস্যরাও সংসদীয় কূটনীতির চর্চা করেন। ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের মতো বিভিন্ন ফোরামে তারা জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ বৈষম্য নিরসন, খাদ্য নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয় আলোচনার মাধ্যমে দেশের প্রচলিত আইন এবং নীতিগুলো তুলে ধরেন।’

স্পিকার বলেন, ‘বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত শান্তিরক্ষা কার্যক্রমগুলোতে বাংলাদেশের প্রশংসনীয় অবদান রয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ শান্তি ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।’

সেমিনারে আরও ছিলেন­– নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান, আমন্ত্রিত সংসদ সদস্য, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের সামরিক উপদেষ্টা ও ডিফেন্স অ্যাটাশে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আমন্ত্রিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রাক্তন সেনাবাহিনী প্রধান, বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ ও জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি, শিক্ষা ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ টি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একযোগে কাজ করে যেতে হবে: স্পিকার

Update Time : 01:09:16 pm, Wednesday, 21 September 2022

এনবি নিউজ : জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত। বৈশ্বিক শান্তির প্রতি তাঁর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন। তাই বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা বৈশ্বিক শান্তির প্রতি বঙ্গবন্ধুর অবস্থান থেকেই অনুপ্রেরণা পায়। সমাজের সবাইকে টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একযোগে কাজ করে যেতে হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা সেনানিবাসের সেনা মালঞ্চে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে ‘বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ‘বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা’ বিষয়ে এবং প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত শহীদুল হক ‘বিশ্ব শান্তি সংরক্ষণে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উদ্যোগের ৫০ বছর’ সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সেমিনারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আনোয়ার হোসেন পিএসসি মডারেটর হিসেবে এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আতিকুল ইসলাম সহ-আয়োজক হিসেবে বক্তব্য দেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘জনগণকে ক্ষুধা, দারিদ্র, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করে শান্তি, সাম্য, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জনগণের জন্য তাঁর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শান্তির ধারণা। ১৯৭২ সালের সংবিধানের চারটি মূল নীতিতে এ ধারণাগুলোই প্রতিফলিত হয়েছে এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমেই সংবিধানের সফল প্রতিপালন সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব শান্তি রক্ষায় যেমন কূটনীতিকদের ভূমিকা রয়েছে, তেমনই সংসদ সদস্যরাও সংসদীয় কূটনীতির চর্চা করেন। ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের মতো বিভিন্ন ফোরামে তারা জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ বৈষম্য নিরসন, খাদ্য নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয় আলোচনার মাধ্যমে দেশের প্রচলিত আইন এবং নীতিগুলো তুলে ধরেন।’

স্পিকার বলেন, ‘বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত শান্তিরক্ষা কার্যক্রমগুলোতে বাংলাদেশের প্রশংসনীয় অবদান রয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ শান্তি ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।’

সেমিনারে আরও ছিলেন­– নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান, আমন্ত্রিত সংসদ সদস্য, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের সামরিক উপদেষ্টা ও ডিফেন্স অ্যাটাশে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আমন্ত্রিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রাক্তন সেনাবাহিনী প্রধান, বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ ও জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি, শিক্ষা ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ টি